Ravindranath Tagore and University Meeting
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
বিদ্যান, বুদ্ধিমান বুদ্ধিজীবী।
তাই তো? শিক্ষাবid।
উনিশশো বারো সালে ঘরের মাঠে একটা বড় মিটিং হল। এরকম মিটিং না।
ঘরের মাঠে
বিশাল মিটিং।
তাতে রমেশচন্দ্র মজুমদার লিখেছে, "যারা কোনদিন
কোন মিটিং মিছিলে যায় না সেই সমস্ত লোকজনও যে ঘরের মাঠ ভর্তি করে
ফেললেন।"
সেই ঘরের মাঠে
উনিশশো বারো সালের মার্চ মাসে
ঘরের মাঠে সেই মিটিং এর এর থেকে অনেক বড় গায়েস হল।
তার সভাপতি হলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
কিসের জন্য মিটিং জানেন?
মিটিংটা হল
ইংরেজ government তখন
প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকাতে একটা university করবে, বিশ্ববিদ্যালয়।
ঢাকাতে। তখন কলকাতা আছে।
ঢাকাতে একটা university করবে।
তো ওই মিটিং করে তার সভাপতি হচ্ছে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ
ঠাকুর। সেখানে প্রস্তাব pass হচ্ছে ঢাকাতে যেন
বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজ government না করে।
কেন বলুন তো?
ঢাকার চারপাশ দিয়ে
বেশিরভাগ মুসলমানের বাস তো পূর্ববঙ্গে। সেখানে
বিশ্ববিদ্যালয় হলে মুসলমানরা লেখাপড়া শিখবে।
মুসলমানরা যদি লেখাপড়া শেখে তাহলে
কায়দে আযামের
মর্যাদা থাকে না, মান থাকে না, সম্মান থাকে না।
মুসলমানের ছেলে ডাক্তার, নমঃ ছেলে ডাক্তার। আবার বাবুনি ছেলেও
ডাক্তার। বাবুনির জাত মান থাকে?
বাবুনির জাত মান থাকে না।
তাই
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মত লোক-- আমি নামটা বলছি এই কারণে তিনি
আমাদের সবার শ্রদ্ধেয়। অন্য কারণে শ্রদ্ধেয়। কিন্তু এ
বিষয়টা যখন আমরা আলোচনা করি তখন সত্যিকারের
ভেতরের যে জিনিসটা সেটা অনেকটাই
বোঝা যায়, তাই না?
কতবার deputation দিয়েছিল ইংরেজ government কে জানেন?
আমাদের এখানকার বাবুরা। কোন বাবুরা?
যারা পঞ্চাশ সালে মুসলমানদের ওই সংরক্ষণের দুইশো
বিরানব্বই, দুইশো তিরানব্বই, দুইশো ছিয়ানব্বইটা রুখে
দিয়েছিল। আঠারো বার স্মারক লিপি
দিয়েছিল। আঠারো বার। যাতে
ঢাকাতে university না হয়।
End of transcript · 242 words